
এক যুগ আগে সংঘটিত আলোচিত শাহানুর হত্যা মামলার আসামি তাহের কমিশনারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
নবীনগর থানা পুলিশ জানায়, উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় শাহনূর হত্যা মামলাটি নবীনগর থানায় রুজু করা হয় এবং আবু তাহের মামলায় এজহারভুক্ত আসামি হওয়ায় গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ মূলে নবীনগর থানা মামলা নং ১০, ৬/১১/২৫ মামলায় আজহারভুক্ত চার আসামী ছাড়াও আরো ৭ জন র্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে মামলাটি রুজু করা হয়।
উল্লেখ্য, প্রায় এক যুগ আগে নবীনগর উপজেলার বগডহর গ্রামের শাহিনুর রেব কর্তৃক গ্রেপ্তার হয়।পরবর্তীতে কুমিল্লা কারাগার হাসপাতালে শাহিনুর মারা যায়। মামলার বাদী মেহেদী হাসান বলেন ২০১৪ সালের ২৯ এপ্রিল আমার ভাইকে র্যাব গ্রেফতার করে নবীনগর থানায় আনলে তার বিরুদ্ধে কোন মামলা না পাওয়া যাওয়ায় শাহিনুর ভাইকে ছেড়ে দিত। কিন্তু আবু তাহের কমিশনার বাদী হয়ে শাহিনুর ভাই এর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন সেজন্য এ মামলায় উনাকে আসামি করা হয়। মেহেদী হাসান আরো বলেন,শাহিনুর ভাইকে যে নির্যাতন করা হয়েছে ওই ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বিস্তারিত উল্লেখ আছে। আমি আইনের প্রতি যথেষ্ট শ্রদ্ধাশীল, অন্যান্য আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করার দাবি জানাই। প্রায় এক যুগ পেরিয়ে গেলেও আমি ন্যায় বিচার পাব বলে আশা করি এবং আমার ভাইয়ের মতো অন্য কেউ যেন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার না হয় সেজন্য অন্য আসামিদেরও দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাই।
এদিকে গ্রেফতারকৃত তাহের কমিশনারের সন্তান নবীনগর উপজেলা জিয়া মঞ্চের সদস্য সচিব রুবেল আকরাম বলেন, আমার পিতা শাহানুর হত্যার সাথে কোনোভাবেই জড়িত নয়।তাকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে।
স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন পর মামলার এ অগ্রগতি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে তবে সাধারণ মানুষ বলছেন প্রকৃত দোষীরা যেন আইনের আওতায় আসে কোন নির্দোষ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হয়।

মিঠু সূত্রধর পলাশ। 













