ঢাকা , শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নবীনগরে প্রসূতির মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটনাটির অবশেষে ১১ লাখ টাকায় মীমাংসা!!  নবীনগরে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলার’ প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ  নবীনগরে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যু: হাসপাতালে ভাঙচুর নবীনগরের উরখলিয়া গ্রামে শান্তির লক্ষ্যে জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত নবীনগর সরকারি কলেজ: পরীক্ষার্থীদের পাস করিয়ে দেয়ার প্রলোভনে টাকা নেয়ার অভিযোগে দু’জন বরখাস্ত নবীনগর ভূমি অফিস তালাবদ্ধ : সেবা বঞ্চিত সাধারণ মানুষ  নবীনগরে লাল মিয়া মাষ্টারের পরিবারকে গ্রাম ছাড়ার হুমকি, বাড়িতে হামলা,আহত-৩ চুরি করতে যাচ্ছি, অসুবিধা হলে সহযোগিতা করবেন- পুলিশকে চোরের অনুরোধ ‎নবীনগর প্রেসক্লাবে স্থানীয় সাংসদ এডভোকেট আব্দুল মান্নানের ঈদত্তোর শুভেচ্ছা বিনিময় পাগলিটা মা হয়েছে, কিন্তু বাবা হয়নি কেউ
নোটিশ :
নিয়মিত সংবাদ পেতে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন । startvbd20@gmail.com

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে কাপড় বিক্রেতা হত্যা মামলায় নবীনগরের যুবলীগ নেতা মেহেদী হাসান ঢাকাই গ্রেপ্তার

স্টার টিভি নিউজ ডেস্কঃ  রাজধানীর মিরপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় কাপড় বিক্রেতা আনোয়ার হোসেনকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত মেহেদী হাসান (২৭), নবীনগর উপজেলা ব্রাহ্মণ হাতা গ্রামের কামরুজ্জামানের ছেলে সে নবীনগর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগের নেতা বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি ভাটারা থানা এলাকায় স্থানীয় ছাত্র-জনতা মেহেদী হাসানকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। পরে যাচাই করে পুলিশ জানতে পারে, তার বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর মডেল থানায় ২০১৫ সালের একটি হত্যা মামলা রয়েছে (মামলা নং-৭, তারিখ- ০২ আগস্ট, ২০১৫)। এরপর ভাটারা থানা পুলিশ বিষয়টি মিরপুর মডেল থানা পুলিশকে অবহিত করলে তারা এসে আসামিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বরে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমর্থনে একটি শান্তিপূর্ণ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মামলার বাদী এবং তার ছোট ভাই, কাপড় বিক্রেতা মোঃ আনোয়ার হোসেন, সেই মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়, মিছিলটি দমনের জন্য আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা পুলিশের সহায়তায় মিছিলে সশস্ত্র হামলা চালায়। হামলাকারীরা মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলি, টিয়ার শেল ও বোমা নিক্ষেপ করে। এ সময় আনোয়ার হোসেনের পেটে ও কপালে গুলি লাগে এবং তাকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই হত্যা মামলায় মেহেদী হাসান ৪৪ নম্বর আসামি। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় মেহেদী হাসান এই ঘটনা সম্পর্কে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন, যা বর্তমানে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে এই হত্যা মামলা ছাড়াও ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ, বিস্ফোরক আইন এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগে আরও একাধিক মামলা রয়েছে।
মামলার তদন্তের স্বার্থে তাকে কারাগারে আটক রাখার জন্য আদালতে আবেদন করেছে পুলিশ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

নবীনগরে প্রসূতির মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটনাটির অবশেষে ১১ লাখ টাকায় মীমাংসা!! 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে কাপড় বিক্রেতা হত্যা মামলায় নবীনগরের যুবলীগ নেতা মেহেদী হাসান ঢাকাই গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ১০:৫৯:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

স্টার টিভি নিউজ ডেস্কঃ  রাজধানীর মিরপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় কাপড় বিক্রেতা আনোয়ার হোসেনকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত মেহেদী হাসান (২৭), নবীনগর উপজেলা ব্রাহ্মণ হাতা গ্রামের কামরুজ্জামানের ছেলে সে নবীনগর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগের নেতা বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি ভাটারা থানা এলাকায় স্থানীয় ছাত্র-জনতা মেহেদী হাসানকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। পরে যাচাই করে পুলিশ জানতে পারে, তার বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর মডেল থানায় ২০১৫ সালের একটি হত্যা মামলা রয়েছে (মামলা নং-৭, তারিখ- ০২ আগস্ট, ২০১৫)। এরপর ভাটারা থানা পুলিশ বিষয়টি মিরপুর মডেল থানা পুলিশকে অবহিত করলে তারা এসে আসামিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বরে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমর্থনে একটি শান্তিপূর্ণ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মামলার বাদী এবং তার ছোট ভাই, কাপড় বিক্রেতা মোঃ আনোয়ার হোসেন, সেই মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়, মিছিলটি দমনের জন্য আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা পুলিশের সহায়তায় মিছিলে সশস্ত্র হামলা চালায়। হামলাকারীরা মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলি, টিয়ার শেল ও বোমা নিক্ষেপ করে। এ সময় আনোয়ার হোসেনের পেটে ও কপালে গুলি লাগে এবং তাকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই হত্যা মামলায় মেহেদী হাসান ৪৪ নম্বর আসামি। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় মেহেদী হাসান এই ঘটনা সম্পর্কে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন, যা বর্তমানে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে এই হত্যা মামলা ছাড়াও ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ, বিস্ফোরক আইন এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগে আরও একাধিক মামলা রয়েছে।
মামলার তদন্তের স্বার্থে তাকে কারাগারে আটক রাখার জন্য আদালতে আবেদন করেছে পুলিশ।