ঢাকা , শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঠিকাদারের হামলার শিকার প্রকৌশলী বদলি, ১৫ দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি প্রধান আসামি নবীনগরে ধান মাড়াই মেশিনে শ্রমিকের হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন  নবীনগরে জনবান্ধব তিন সিদ্ধান্তের প্রশংসায় ভাসছেন এমপি আব্দুল মান্নান   নৌকায় বসা নিয়ে সংঘর্ষ: নবীনগরে ঘুষির আঘাতে একজনের মৃত্যু নবীনগর-রাধিকা সড়কে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঝরে গেল দুই তরুণ প্রাণ নবীনগরে দুপক্ষে রক্তাক্ত সংঘর্ষ! শেষে ‘মব’ সন্ত্রাস! পরে চেয়ারম্যানসহ ৩ জন গ্রেপ্তার! নবীনগরে গাঁজাসহ ০২ মাদক কারবারী গ্রেফতার নবীনগরে এলপি গ্যাসে কারসাজি:বসুন্ধরা ডিলারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা  নবীনগরে সাংবাদিকদের ‘তালাবদ্ধ’ করে আটকে রাখার ঘটনায় শাস্তিমূলক বদলি, নায়েব শামসুদ্দোহা স্ট্যান্ড রিলিজ দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা নিরসন এখন সময়ের দাবি- এমপি আব্দুল মান্নান
নোটিশ :
নিয়মিত সংবাদ পেতে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন । startvbd20@gmail.com

নবীনগরে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যু: হাসপাতালে ভাঙচুর

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৪:৪৩:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ১২৬ বার পড়া হয়েছে
মিঠু সূত্রধর পলাশ: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের পর এক প্রসূতির রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীরা পলাতক রয়েছেন।
শনিবাবার (৪ এপ্রিল) রাত ২টা ৩০ মিনিটে দিকে উপজেলা সদরের আহমেদ প্রাইভেট হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। নিহত প্রসূতির নাম রাকিবা আক্তার (১৮)। তিনি উপজেলার লাউর ফতেহপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তার স্বামী শফিকুল ইসলাম। পিতা মিজান মিয়া ও মাতা রেহেনা আক্তার।
স্থানীয় ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, প্রসব ব্যথা শুরু হলে রাকিবা আক্তারকে নবীনগর সদরের আহমেদ প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. সৈয়দ কামরুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে তার সিজারিয়ান অপারেশন সম্পন্ন হয়।
অভিযোগ রয়েছে, অপারেশনের কিছুক্ষণ পরই রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি স্বজনদের স্পষ্টভাবে না জানিয়ে দ্রুত একটি অ্যাম্বুলেন্স ডেকে অন্যত্র নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় রোগীর মা রেহেনা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়েকে গাড়িতে তোলার সময়ই সন্দেহ হয়। কাছে গিয়ে দেখি তার কোনো শ্বাস-প্রশ্বাস নেই। তখনই বুঝতে পারি, অপারেশনের পরই আমার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে।
স্বজনদের দাবি, রোগীকে অ্যাম্বুলেন্সে তোলার পর হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক ও কর্মচারীরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। ফলে কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালান। পরে খবর পেয়ে নবীনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে জানতে হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী ফরিদ উদ্দিন আহমেদের ব্যবহৃত মোবাইলে একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
নবীনগর থানার তদন্ত কর্মকর্তা রাজিব কান্তি নাথ জানান, ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদরে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসক ও কর্মচারীরা পলাতক রয়েছেন।
#####
ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঠিকাদারের হামলার শিকার প্রকৌশলী বদলি, ১৫ দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি প্রধান আসামি

নবীনগরে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যু: হাসপাতালে ভাঙচুর

আপডেট সময় ০৪:৪৩:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
মিঠু সূত্রধর পলাশ: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের পর এক প্রসূতির রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীরা পলাতক রয়েছেন।
শনিবাবার (৪ এপ্রিল) রাত ২টা ৩০ মিনিটে দিকে উপজেলা সদরের আহমেদ প্রাইভেট হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। নিহত প্রসূতির নাম রাকিবা আক্তার (১৮)। তিনি উপজেলার লাউর ফতেহপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তার স্বামী শফিকুল ইসলাম। পিতা মিজান মিয়া ও মাতা রেহেনা আক্তার।
স্থানীয় ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, প্রসব ব্যথা শুরু হলে রাকিবা আক্তারকে নবীনগর সদরের আহমেদ প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. সৈয়দ কামরুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে তার সিজারিয়ান অপারেশন সম্পন্ন হয়।
অভিযোগ রয়েছে, অপারেশনের কিছুক্ষণ পরই রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি স্বজনদের স্পষ্টভাবে না জানিয়ে দ্রুত একটি অ্যাম্বুলেন্স ডেকে অন্যত্র নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় রোগীর মা রেহেনা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়েকে গাড়িতে তোলার সময়ই সন্দেহ হয়। কাছে গিয়ে দেখি তার কোনো শ্বাস-প্রশ্বাস নেই। তখনই বুঝতে পারি, অপারেশনের পরই আমার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে।
স্বজনদের দাবি, রোগীকে অ্যাম্বুলেন্সে তোলার পর হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক ও কর্মচারীরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। ফলে কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালান। পরে খবর পেয়ে নবীনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে জানতে হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী ফরিদ উদ্দিন আহমেদের ব্যবহৃত মোবাইলে একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
নবীনগর থানার তদন্ত কর্মকর্তা রাজিব কান্তি নাথ জানান, ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদরে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসক ও কর্মচারীরা পলাতক রয়েছেন।
#####