ঢাকা , শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নবীনগরে যানজটে নাকাল জনজীবন!  রাস্তা দখলের অভিযোগ: দেখার কি কেউ নেই!! প্রকৌশলীকে মারধরের মামলায় ঠিকাদার লোকমানের ম্যানেজার গ্রেপ্তার নবীনগরে প্রকৌশলীকে মারার ঘটনায় ঠিকাদার সহ  দু’জনের নামে মামলা নবীনগরে উপ-প্রকৌশলীকে বাঁশ দিয়ে দৌড়ালেন ঠিকাদারের ড্রাইভার: ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে আমরা বদ্ধপরিকর- আব্দুল মান্নান নবীনগরে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন নবীনগরে প্রসূতির মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটনাটির অবশেষে ১১ লাখ টাকায় মীমাংসা!!  নবীনগরে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলার’ প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ  নবীনগরে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যু: হাসপাতালে ভাঙচুর নবীনগরের উরখলিয়া গ্রামে শান্তির লক্ষ্যে জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত
নোটিশ :
নিয়মিত সংবাদ পেতে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন । startvbd20@gmail.com

নবীনগর উপজেলার রাজনীতির দুই মেরুর দুই নেতা ডিবির জালে

মিঠু সূত্রধর পলাশ: ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পৃথক অভিযানে জাতীয় পার্টির (রওশনপন্থী) মহাসচিব ও এরশাদ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান কাজী মামুনুর রশীদ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নবীনগরের সাবেক দুইবারের সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা ফয়জুর রহমান বাদলকে গ্রেপ্তার করেছে।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে ডিবি। রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনের সামনে থেকে কাজী মামুনুর রশীদকে গ্রেপ্তার করা হয়। অপরদিকে সন্ত্রাস দমন আইনের মামলায় সাবেক এমপি বাদলকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যদিও তাঁকে রাজধানীর কোন স্থান থেকে আটক করা হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানায়নি ডিবি।
ডিবির যুগ্ম কমিশনার (প্রশাসন) মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম সোমবার সকালে সাংবাদিকদের বলেন, “গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। খুব দ্রুতই তাঁদের আদালতে পাঠানো হবে।”
জাতীয় পার্টির রওশনপন্থী অংশের মহাসচিব ও এরশাদ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান কাজী মামুনুর রশীদের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের মামলা রয়েছে। গত বছরের ৪ নভেম্বর তিনি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তবে পরে জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারও রাজনীতিতে সক্রিয় হন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের আলোচিত নেতা ফয়জুর রহমান বাদল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হয়ে তিনি নবীনগরের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হলে তিনি পুনরায় নৌকা প্রতীকে লড়াই করেন এবং এমপি নির্বাচিত হন।
বাদলের রাজনৈতিক জনপ্রিয়তা নবীনগরে ব্যাপক।  শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও কৃষি খাতে তিনি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন, যার কারণে নবীনগরের মানুষ তাঁকে একজন কার্যকর ও জনপ্রিয় নেতা হিসেবে মনে করে। এই জনপ্রিয়তার কারণে তিনি এলাকায় বিশেষভাবে সম্মানিত।
ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নবীনগরে যানজটে নাকাল জনজীবন!  রাস্তা দখলের অভিযোগ: দেখার কি কেউ নেই!!

নবীনগর উপজেলার রাজনীতির দুই মেরুর দুই নেতা ডিবির জালে

আপডেট সময় ০৪:১২:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
মিঠু সূত্রধর পলাশ: ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পৃথক অভিযানে জাতীয় পার্টির (রওশনপন্থী) মহাসচিব ও এরশাদ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান কাজী মামুনুর রশীদ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নবীনগরের সাবেক দুইবারের সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা ফয়জুর রহমান বাদলকে গ্রেপ্তার করেছে।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে ডিবি। রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনের সামনে থেকে কাজী মামুনুর রশীদকে গ্রেপ্তার করা হয়। অপরদিকে সন্ত্রাস দমন আইনের মামলায় সাবেক এমপি বাদলকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যদিও তাঁকে রাজধানীর কোন স্থান থেকে আটক করা হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানায়নি ডিবি।
ডিবির যুগ্ম কমিশনার (প্রশাসন) মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম সোমবার সকালে সাংবাদিকদের বলেন, “গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। খুব দ্রুতই তাঁদের আদালতে পাঠানো হবে।”
জাতীয় পার্টির রওশনপন্থী অংশের মহাসচিব ও এরশাদ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান কাজী মামুনুর রশীদের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের মামলা রয়েছে। গত বছরের ৪ নভেম্বর তিনি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তবে পরে জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারও রাজনীতিতে সক্রিয় হন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের আলোচিত নেতা ফয়জুর রহমান বাদল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হয়ে তিনি নবীনগরের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হলে তিনি পুনরায় নৌকা প্রতীকে লড়াই করেন এবং এমপি নির্বাচিত হন।
বাদলের রাজনৈতিক জনপ্রিয়তা নবীনগরে ব্যাপক।  শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও কৃষি খাতে তিনি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন, যার কারণে নবীনগরের মানুষ তাঁকে একজন কার্যকর ও জনপ্রিয় নেতা হিসেবে মনে করে। এই জনপ্রিয়তার কারণে তিনি এলাকায় বিশেষভাবে সম্মানিত।