ঢাকা , সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নবীনগরে সাংবাদিকদের সাথে মেয়র প্রার্থী হওয়ার ঘোষনা দিয়ে বিএনপি নেতা মাসুদ রানা’র মতবিনিময়  নবীনগরে ছাত্রের মায়ের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল আটক নবীনগরে সন্ত্রাসীদের হামলায় র‍্যাবের ৩ সদস্য আহত, দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার ৫ নবীনগরের খাগাতুয়া গ্রামে তিন র‍্যাব সদস্য লাঞ্ছিত নবীনগরে ভাইয়ের আঘাতে ভাইয়ের মৃত্যু; হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ছোট ভাই গ্রেফতার নিয়োমিত অফিস করেন না নবীনগর পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা  নবীনগরে অটোরিকশা চালককে কুপিয়েছে সন্ত্রাসীরা ঠিকাদারের হামলার শিকার প্রকৌশলী বদলি, ১৫ দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি প্রধান আসামি নবীনগরে ধান মাড়াই মেশিনে শ্রমিকের হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন  নবীনগরে জনবান্ধব তিন সিদ্ধান্তের প্রশংসায় ভাসছেন এমপি আব্দুল মান্নান  
নোটিশ :
নিয়মিত সংবাদ পেতে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন । startvbd20@gmail.com
নবীনগরের কন্যা তামান্না ডাকসুতে সর্বোচ্চ ভোটে বিজয়ী

নবীনগরের কন্যা তামান্না ডাকসুতে সর্বোচ্চ ভোটে বিজয়ী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে সদস্য পদে বিজয়ী হয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের কৃতী কন্যা সাবিকুন নাহার তামান্না। তিনি ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
আজ (১০ সেপ্টেম্বর) বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে দেখা যায়, তামান্না ১০ হাজার ৮৪ ভোট পেয়ে সর্বোচ্চ ভোটে বিজয়ী হন। তার ব্যালট নম্বর ছিল ২০৪। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রী সংস্থার সভানেত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।
তামান্নার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার সাতমোড়া ইউনিয়নের বড়শিকানিকা গ্রামে। তিনি ডুয়েটের সাবেক শিবির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. এনামুল হাসানের স্ত্রী।
নবীনগরের কৃতী কন্যা হিসেবে তার এই বিজয়ে এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দের বন্যা বয়ে গেছে। বিজয়ী হওয়ার খবর পেয়ে সর্বস্তরের নবীনগরবাসী তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতেই ভাঙচুর করা হয়েছিল ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের’ প্রচারণা বোর্ড এবং বিকৃত করা হয়েছিল তামান্নার ছবি। তবে সেই ছবিকেই নিজের প্রচারণার হাতিয়ার বানিয়ে তিনি ফেসবুকে লিখেছিলেন“স্বপ্নের ক্যাম্পাস গড়ার পথযাত্রী, আমরা থামব না।” এরপর থেকেই তিনি আলোচনায় আসেন।
এবারের ডাকসু নির্বাচনে ২৮টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৪৭১ জন প্রার্থী। এর মধ্যে নারী প্রার্থী ছিলেন ৬২ জন। সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ৪৫ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ১৯ জন এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ২৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নবীনগরে সাংবাদিকদের সাথে মেয়র প্রার্থী হওয়ার ঘোষনা দিয়ে বিএনপি নেতা মাসুদ রানা’র মতবিনিময় 

নবীনগরের কন্যা তামান্না ডাকসুতে সর্বোচ্চ ভোটে বিজয়ী

নবীনগরের কন্যা তামান্না ডাকসুতে সর্বোচ্চ ভোটে বিজয়ী

আপডেট সময় ০৮:১৪:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে সদস্য পদে বিজয়ী হয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের কৃতী কন্যা সাবিকুন নাহার তামান্না। তিনি ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
আজ (১০ সেপ্টেম্বর) বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে দেখা যায়, তামান্না ১০ হাজার ৮৪ ভোট পেয়ে সর্বোচ্চ ভোটে বিজয়ী হন। তার ব্যালট নম্বর ছিল ২০৪। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রী সংস্থার সভানেত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।
তামান্নার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার সাতমোড়া ইউনিয়নের বড়শিকানিকা গ্রামে। তিনি ডুয়েটের সাবেক শিবির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. এনামুল হাসানের স্ত্রী।
নবীনগরের কৃতী কন্যা হিসেবে তার এই বিজয়ে এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দের বন্যা বয়ে গেছে। বিজয়ী হওয়ার খবর পেয়ে সর্বস্তরের নবীনগরবাসী তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতেই ভাঙচুর করা হয়েছিল ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের’ প্রচারণা বোর্ড এবং বিকৃত করা হয়েছিল তামান্নার ছবি। তবে সেই ছবিকেই নিজের প্রচারণার হাতিয়ার বানিয়ে তিনি ফেসবুকে লিখেছিলেন“স্বপ্নের ক্যাম্পাস গড়ার পথযাত্রী, আমরা থামব না।” এরপর থেকেই তিনি আলোচনায় আসেন।
এবারের ডাকসু নির্বাচনে ২৮টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৪৭১ জন প্রার্থী। এর মধ্যে নারী প্রার্থী ছিলেন ৬২ জন। সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ৪৫ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ১৯ জন এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ২৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।