ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নবীনগরে পূর্ব শত্রুতার জেরেএক যুবক গুলিবিদ্ধ  ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নবীনগরে বিএনপির আব্দুল মান্নান বিজয়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে হাতপাখার নীরব জোয়ার: ভোটের মাঠে ছক্কা হাঁকাতে পারেন নজরুল ইসলাম নজু  নির্বাচিত হলে ভূমিদস্যু, দখলদার, চাঁদাবাজ ও বালু সন্ত্রাসীদের সিন্ডিকেট চিরতরে নির্মূল করা হবে: আব্দুল মান্নান ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নবীনগরে বিএনপি বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত  নবীনগরে বিএনপির ৮ জন নেতাকে বহিষ্কার নবীনগরে বিএনপির প্রার্থী আব্দুল মান্নানের  জনসভায় জনতার ঢল  দেশের জনগণ ১১ দলীয় জোটকে ভোট দিতে মুখিয়ে রয়েছে: হাসনাত আব্দুল্লাহ  হাতপাখার পক্ষে ভোট দিয়ে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীকে বিজয়ী করলে এদেশ আদর্শ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠবে: চরমোনাই পীর নবীনগরে রহস্যজনক অগ্নিকান্ড,বিএনপি অফিস সহ চারটি দোকারঘর ভস্মীভূত : ৬০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি 
নোটিশ :
নিয়মিত সংবাদ পেতে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন । startvbd20@gmail.com

নবীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসে হুলুস্থুল কাণ্ড! সাবেক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে হামলা ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন রাজু ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নাছিমা আক্তার বাদী হয়ে নবীনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে ইকবাল হোসেন রাজু ছাড়াও আক্কাছ ভূঁইয়া ও ফাহিম ভূঁইয়ার নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে নাছিমা আক্তার তার আত্মীয়দের নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধ মীমাংসায় উপস্থিত হলে, অভিযুক্তরা অজ্ঞাতনামা কয়েকজন লোকসহ সেখানে গিয়ে তাদের হুমকি, গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার চেস্টা করেন। তখন ইউএনও কার্যালয়ের কিছু কর্মচারী এগিয়ে এসে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা টেবিল-চেয়ার ও গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এদিকে অভিযুক্ত ইকবাল হোসেন রাজু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলায় জড়িত না। ইউএনও অফিসে সিসিটিভি রয়েছে, সেখানে যাচাই করলে প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে।”

নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুর ইসলাম বলেন,আজ সন্ধ্যায় এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি আমরা গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে দেখছি। তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব চৌধুরী বলেন, “জমি সংক্রান্ত একটি শুনানির সময় দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। আমাদের স্টাফরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন, পরে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নবীনগরে পূর্ব শত্রুতার জেরেএক যুবক গুলিবিদ্ধ 

নবীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসে হুলুস্থুল কাণ্ড! সাবেক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

আপডেট সময় ১১:৫৫:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে হামলা ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন রাজু ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নাছিমা আক্তার বাদী হয়ে নবীনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে ইকবাল হোসেন রাজু ছাড়াও আক্কাছ ভূঁইয়া ও ফাহিম ভূঁইয়ার নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে নাছিমা আক্তার তার আত্মীয়দের নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধ মীমাংসায় উপস্থিত হলে, অভিযুক্তরা অজ্ঞাতনামা কয়েকজন লোকসহ সেখানে গিয়ে তাদের হুমকি, গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার চেস্টা করেন। তখন ইউএনও কার্যালয়ের কিছু কর্মচারী এগিয়ে এসে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা টেবিল-চেয়ার ও গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এদিকে অভিযুক্ত ইকবাল হোসেন রাজু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলায় জড়িত না। ইউএনও অফিসে সিসিটিভি রয়েছে, সেখানে যাচাই করলে প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে।”

নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুর ইসলাম বলেন,আজ সন্ধ্যায় এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি আমরা গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে দেখছি। তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব চৌধুরী বলেন, “জমি সংক্রান্ত একটি শুনানির সময় দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। আমাদের স্টাফরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন, পরে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে।”