
স্টার টিভি নিউজ ডেস্কঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় স্থানীয়ভাবে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বাড়ছে।
প্রকাশ্য ও নেপথ্যের এসব অভিযোগ পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের একাধিক ঘটনা ঘটছে।
প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের ব্যানার ও ফেস্টুন ছেঁড়া, হেয়প্রতিপন্ন করে বক্তব্য দেওয়া এবং প্রকাশ্যে উত্তেজনা ছড়ানোর মতো অভিযোগ ইতোমধ্যে সামনে এসেছে। এর পাশাপাশি ভোটারদের প্রভাবিত করতে গোপনে অর্থ বিতরণের গুঞ্জন পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।
যদিও এসব বিষয়ে প্রকাশ্যে কেউ সরাসরি বক্তব্য দিতে আগ্রহী নন, তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট ও মন্তব্যে অনিয়মের আভাস স্পষ্ট। সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের নীরব ইশারা-ইঙ্গিতের রাজনীতি কেবল নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনই নয়, গণতন্ত্রের নৈতিক ভিত্তিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
স্থানীয় নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে এখনই কঠোর নজরদারি এবং দৃশ্যমান প্রশাসনিক পদক্ষেপ জরুরি। তাঁদের মতে, নির্বাচন যেন প্রভাব, প্রলোভন কিংবা গোপন লেনদেনের কাছে পরাজিত না হয়—সে জন্য নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি প্রশাসনের সক্রিয় ও নিরপেক্ষ ভূমিকা অপরিহার্য।
এদিকে সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা, প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকরা নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলবেন এবং ভোট কেনাবেচার পথ পরিহার করে আস্থা ও সম্মানের ভিত্তিতেই ভোট চাইবেন। ভোটারদের মতে, এভাবেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রকৃত মর্যাদা রক্ষা সম্ভব।
সাধারণ জনগণ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি কঠোর, নিরপেক্ষ ও কার্যকর হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন, যাতে নবীনগরে একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের আশঙ্কা, নির্বাচন ঘিরে চলমান এসব অনিয়ম ও অভিযোগের প্রেক্ষাপটে প্রশাসন যদি শুরু থেকেই প্রয়োজনীয় শক্ত পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়, তবে ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ পর্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত হয়ে ওঠার ঝুঁকি থেকেই যাবে।

স্টার টিভি নিউজ ডেস্কঃ 








