ঢাকা , রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নবীনগরের নির্বাচন: দ্বিমুখী না বহুমুখী—জনমনে বাড়ছে কৌতূহল সাংবাদিক পর্যবেক্ষক কার্ড দায়িত্ব ও বিশ্বাসের প্রতীক অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান, ৫ লাখ টাকা জরিমানা নবীনগরে নির্বাচন ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নবীনগর আসনে চতুর্মুখী লড়াইয়ের আভাস নবীনগর উপজেলা যুবদলের সকল কমিটি ও সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত নবীনগরে ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষের টাকা ফেরত চেয়ে এসিল্যান্ডের কাছে আবেদন বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য: বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেনকে দল থেকে বহিষ্কার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে ধানের শীষের কাণ্ডারি এড. আব্দুল মান্নান: এলাকায় আনন্দের জোয়ার বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থী নাজমুল হোসেনের নির্বাচনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত
নোটিশ :
নিয়মিত সংবাদ পেতে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন । startvbd20@gmail.com
নবীনগরে নির্বাচন ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ

নবীনগরে নির্বাচন ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ

স্টার টিভি নিউজ ডেস্কঃ  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় স্থানীয়ভাবে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বাড়ছে।

প্রকাশ্য ও নেপথ্যের এসব অভিযোগ পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের একাধিক ঘটনা ঘটছে।

প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের ব্যানার ও ফেস্টুন ছেঁড়া, হেয়প্রতিপন্ন করে বক্তব্য দেওয়া এবং প্রকাশ্যে উত্তেজনা ছড়ানোর মতো অভিযোগ ইতোমধ্যে সামনে এসেছে। এর পাশাপাশি ভোটারদের প্রভাবিত করতে গোপনে অর্থ বিতরণের গুঞ্জন পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

যদিও এসব বিষয়ে প্রকাশ্যে কেউ সরাসরি বক্তব্য দিতে আগ্রহী নন, তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট ও মন্তব্যে অনিয়মের আভাস স্পষ্ট। সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের নীরব ইশারা-ইঙ্গিতের রাজনীতি কেবল নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনই নয়, গণতন্ত্রের নৈতিক ভিত্তিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

স্থানীয় নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে এখনই কঠোর নজরদারি এবং দৃশ্যমান প্রশাসনিক পদক্ষেপ জরুরি। তাঁদের মতে, নির্বাচন যেন প্রভাব, প্রলোভন কিংবা গোপন লেনদেনের কাছে পরাজিত না হয়—সে জন্য নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি প্রশাসনের সক্রিয় ও নিরপেক্ষ ভূমিকা অপরিহার্য।

এদিকে সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা, প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকরা নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলবেন এবং ভোট কেনাবেচার পথ পরিহার করে আস্থা ও সম্মানের ভিত্তিতেই ভোট চাইবেন। ভোটারদের মতে, এভাবেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রকৃত মর্যাদা রক্ষা সম্ভব।

সাধারণ জনগণ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি কঠোর, নিরপেক্ষ ও কার্যকর হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন, যাতে নবীনগরে একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের আশঙ্কা, নির্বাচন ঘিরে চলমান এসব অনিয়ম ও অভিযোগের প্রেক্ষাপটে প্রশাসন যদি শুরু থেকেই প্রয়োজনীয় শক্ত পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়, তবে ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ পর্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত হয়ে ওঠার ঝুঁকি থেকেই যাবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নবীনগরের নির্বাচন: দ্বিমুখী না বহুমুখী—জনমনে বাড়ছে কৌতূহল

নবীনগরে নির্বাচন ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ

নবীনগরে নির্বাচন ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ

আপডেট সময় ১২:২২:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

স্টার টিভি নিউজ ডেস্কঃ  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় স্থানীয়ভাবে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বাড়ছে।

প্রকাশ্য ও নেপথ্যের এসব অভিযোগ পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের একাধিক ঘটনা ঘটছে।

প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের ব্যানার ও ফেস্টুন ছেঁড়া, হেয়প্রতিপন্ন করে বক্তব্য দেওয়া এবং প্রকাশ্যে উত্তেজনা ছড়ানোর মতো অভিযোগ ইতোমধ্যে সামনে এসেছে। এর পাশাপাশি ভোটারদের প্রভাবিত করতে গোপনে অর্থ বিতরণের গুঞ্জন পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

যদিও এসব বিষয়ে প্রকাশ্যে কেউ সরাসরি বক্তব্য দিতে আগ্রহী নন, তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট ও মন্তব্যে অনিয়মের আভাস স্পষ্ট। সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের নীরব ইশারা-ইঙ্গিতের রাজনীতি কেবল নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনই নয়, গণতন্ত্রের নৈতিক ভিত্তিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

স্থানীয় নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে এখনই কঠোর নজরদারি এবং দৃশ্যমান প্রশাসনিক পদক্ষেপ জরুরি। তাঁদের মতে, নির্বাচন যেন প্রভাব, প্রলোভন কিংবা গোপন লেনদেনের কাছে পরাজিত না হয়—সে জন্য নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি প্রশাসনের সক্রিয় ও নিরপেক্ষ ভূমিকা অপরিহার্য।

এদিকে সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা, প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকরা নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলবেন এবং ভোট কেনাবেচার পথ পরিহার করে আস্থা ও সম্মানের ভিত্তিতেই ভোট চাইবেন। ভোটারদের মতে, এভাবেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রকৃত মর্যাদা রক্ষা সম্ভব।

সাধারণ জনগণ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি কঠোর, নিরপেক্ষ ও কার্যকর হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন, যাতে নবীনগরে একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের আশঙ্কা, নির্বাচন ঘিরে চলমান এসব অনিয়ম ও অভিযোগের প্রেক্ষাপটে প্রশাসন যদি শুরু থেকেই প্রয়োজনীয় শক্ত পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়, তবে ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ পর্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত হয়ে ওঠার ঝুঁকি থেকেই যাবে।