ঢাকা , রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নবীনগর প্রেসক্লাবে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নবীনগরে বাজার মনিটরিংয়ে নেমেছেন সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নান  নবীনগরে মেঘনা নদীতে বালু উত্তোলনে বাধা, গ্রামবাসীর ওপর বালু ব্যবসায়ীদের গুলি: আহত ১৫ মহান শহীদ ও ভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল  নবীনগরে ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু নবীনগরে পূর্ব শত্রুতার জেরেএক যুবক গুলিবিদ্ধ  ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নবীনগরে বিএনপির আব্দুল মান্নান বিজয়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে হাতপাখার নীরব জোয়ার: ভোটের মাঠে ছক্কা হাঁকাতে পারেন নজরুল ইসলাম নজু  নির্বাচিত হলে ভূমিদস্যু, দখলদার, চাঁদাবাজ ও বালু সন্ত্রাসীদের সিন্ডিকেট চিরতরে নির্মূল করা হবে: আব্দুল মান্নান ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নবীনগরে বিএনপি বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত 
নোটিশ :
নিয়মিত সংবাদ পেতে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন । startvbd20@gmail.com

কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে পরপর দুটি ঈদ উদযাপন করেন নবীনগরবাসী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে পরপর দুটি বড় ধর্মীয় উৎসব—ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা—কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপিত হয়েছে।

প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নেতৃবৃন্দের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সাধারণ মানুষের সচেতন ভূমিকার কারণে এ শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।

উৎসবের দিনগুলোতে উপজেলার প্রতিটি ঈদগাহ ও মসজিদে যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। পুলিশ, আনসার সদস্য এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে গঠিত নিরাপত্তা টিম প্রত্যেকটি ঈদ জামাতে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া, বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ পুলিশের টহল ও সিসিটিভি মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক জানান, “আমরা জনগণের সহযোগিতায় পরপর দুটি ঈদে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখতে পেরেছি সেজন্য নবীনগর উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের প্রতি ধন্যবাদ ও প্রকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি পাশাপাশি এ ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখতে জনগণের আন্তরিকতা ও প্রত্যাশা কামনা করছি।

এ বিষয়ে নবীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীব চৌধুরী বলেন উপজেলা প্রশাসন,থানা প্রশাসন ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা এবং জনগণের সচেতন ভূমিকায় আমরা পরপর দুটি ঈদ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে পারায় আমি উপজেলাবাসীকে ধন্যবাদ জানাই এবং ভবিষ্যতে এই ধারা অব্যাহত রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরও বলেন,ঈদের চলমান ছুটিতে সকলকে গোষ্ঠীগত/ব্যক্তিগত সংঘাত পরিহার করার আহবান জানান।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পূর্বে বিভিন্ন সময়ে ঈদকে কেন্দ্র করে ছোটখাটো ঘটনার সৃষ্টি হলেও এবার সম্পূর্ণভাবে স্বস্তিদায়ক পরিবেশে তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পেরেছেন। নবীনগর পৌরসভার পঞ্চবটি এলাকার প্রবীণ নাগরিক হাজী ফরিদ মিয়া বলেন, “এমন শান্তিপূর্ণ ঈদ আমরা দীর্ঘদিন পর উপভোগ করলাম। প্রশাসন ও সচেতন নাগরিকদের আন্তরিকতার কারণেই এটি সম্ভব হয়েছে।”এজন্য নবীনগর উপজেলা প্রশাসন ও থানা প্রশাসনের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

এ ধরনের শান্তিপূর্ণ উদযাপন নবীনগরবাসীর সামাজিক সংহতি ও পারস্পরিক সম্প্রীতির প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নবীনগর প্রেসক্লাবে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে পরপর দুটি ঈদ উদযাপন করেন নবীনগরবাসী

আপডেট সময় ১০:৩৪:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে পরপর দুটি বড় ধর্মীয় উৎসব—ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা—কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপিত হয়েছে।

প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নেতৃবৃন্দের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সাধারণ মানুষের সচেতন ভূমিকার কারণে এ শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।

উৎসবের দিনগুলোতে উপজেলার প্রতিটি ঈদগাহ ও মসজিদে যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। পুলিশ, আনসার সদস্য এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে গঠিত নিরাপত্তা টিম প্রত্যেকটি ঈদ জামাতে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া, বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ পুলিশের টহল ও সিসিটিভি মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক জানান, “আমরা জনগণের সহযোগিতায় পরপর দুটি ঈদে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখতে পেরেছি সেজন্য নবীনগর উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের প্রতি ধন্যবাদ ও প্রকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি পাশাপাশি এ ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখতে জনগণের আন্তরিকতা ও প্রত্যাশা কামনা করছি।

এ বিষয়ে নবীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীব চৌধুরী বলেন উপজেলা প্রশাসন,থানা প্রশাসন ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা এবং জনগণের সচেতন ভূমিকায় আমরা পরপর দুটি ঈদ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে পারায় আমি উপজেলাবাসীকে ধন্যবাদ জানাই এবং ভবিষ্যতে এই ধারা অব্যাহত রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরও বলেন,ঈদের চলমান ছুটিতে সকলকে গোষ্ঠীগত/ব্যক্তিগত সংঘাত পরিহার করার আহবান জানান।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পূর্বে বিভিন্ন সময়ে ঈদকে কেন্দ্র করে ছোটখাটো ঘটনার সৃষ্টি হলেও এবার সম্পূর্ণভাবে স্বস্তিদায়ক পরিবেশে তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পেরেছেন। নবীনগর পৌরসভার পঞ্চবটি এলাকার প্রবীণ নাগরিক হাজী ফরিদ মিয়া বলেন, “এমন শান্তিপূর্ণ ঈদ আমরা দীর্ঘদিন পর উপভোগ করলাম। প্রশাসন ও সচেতন নাগরিকদের আন্তরিকতার কারণেই এটি সম্ভব হয়েছে।”এজন্য নবীনগর উপজেলা প্রশাসন ও থানা প্রশাসনের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

এ ধরনের শান্তিপূর্ণ উদযাপন নবীনগরবাসীর সামাজিক সংহতি ও পারস্পরিক সম্প্রীতির প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।