ঢাকা , মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে হাতপাখার নীরব জোয়ার: ভোটের মাঠে ছক্কা হাঁকাতে পারেন নজরুল ইসলাম নজু  নির্বাচিত হলে ভূমিদস্যু, দখলদার, চাঁদাবাজ ও বালু সন্ত্রাসীদের সিন্ডিকেট চিরতরে নির্মূল করা হবে: আব্দুল মান্নান ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নবীনগরে বিএনপি বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত  নবীনগরে বিএনপির ৮ জন নেতাকে বহিষ্কার নবীনগরে বিএনপির প্রার্থী আব্দুল মান্নানের  জনসভায় জনতার ঢল  দেশের জনগণ ১১ দলীয় জোটকে ভোট দিতে মুখিয়ে রয়েছে: হাসনাত আব্দুল্লাহ  হাতপাখার পক্ষে ভোট দিয়ে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীকে বিজয়ী করলে এদেশ আদর্শ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠবে: চরমোনাই পীর নবীনগরে রহস্যজনক অগ্নিকান্ড,বিএনপি অফিস সহ চারটি দোকারঘর ভস্মীভূত : ৬০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি  ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নবীনগর আসনে ধানের শীষের গণজোয়ার সৃষ্টি  নবীনগরে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা
নোটিশ :
নিয়মিত সংবাদ পেতে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন । startvbd20@gmail.com
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে হাতপাখার নীরব জোয়ার, ভোটের মাঠে ছক্কা হাঁকাতে পারেন নজরুল ইসলাম নজু 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে হাতপাখার নীরব জোয়ার: ভোটের মাঠে ছক্কা হাঁকাতে পারেন নজরুল ইসলাম নজু 

মিঠু সূত্রধর পলাশ: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ সংসদীয় আসনে এবারের নির্বাচনী রাজনীতিতে ধীরে ধীরে একটি নীরব কিন্তু লক্ষণীয় পরিবর্তন চোখে পড়ছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম নজু  ‘হাতপাখা’ প্রতীক নিয়ে এমন এক অবস্থানে পৌঁছেছেন, যা এখন আর কেবল প্রতীকী অংশগ্রহণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বরং ক্ষমতাসীন দল, ধান প্রতীক ও অন্যান্য জোটভুক্ত প্রার্থীদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তিনি মাঠে সক্রিয় ও দৃশ্যমান উপস্থিতি বজায় রেখেছেন।

নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক জোটের অংশ হিসেবে থাকায়
নজরুল ইসলাম নজু সেই পরিচয়ের মধ্য দিয়েই ভোটারদের কাছে পৌঁছান। সে সময় মাঠপর্যায়ে তার গণসংযোগ ছিল চোখে পড়ার মতো। ধর্মীয় ও সামাজিক পরিমণ্ডলে পরিচিত মুখ হওয়ায় সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবেই তাকে গ্রহণ করে। ব্যক্তিগত যোগাযোগ, সরাসরি মানুষের কথা শোনা এবং মাঠে নিয়মিত উপস্থিতি তার প্রচারণাকে শুরু থেকেই আলাদা মাত্রা দেয়।
এই পর্যায়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন ছড়ায়—জোটের পক্ষ থেকে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে নির্বাচন করার চূড়ান্ত বৈধতা দেওয়া হতে পারে। তবে রাজনৈতিক সমীকরণ দ্রুত বদলে যায়। জোট থেকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত অনেক প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তার জন্ম দেয়। তবুও সেই ধোঁয়াশা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত নজরুল ইসলাম নজু ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে হাতপাখা প্রতীক নিয়ে সরাসরি নির্বাচনী লড়াইয়ে নামেন।
বিশ্লেষকদের মতে, জোট থেকে বেরিয়ে আসার পরও তার প্রচারণায় বড় কোনো ধাক্কা লাগেনি। বরং নিজস্ব দলীয় কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি ধর্মপ্রাণ ও নীতিনিষ্ঠ রাজনীতিতে বিশ্বাসী ভোটারদের একটি অংশ তার পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছে।
গ্রাম থেকে শহর—সব জায়গায় সীমিত সম্পদের মধ্যেও ধারাবাহিক প্রচারণা তার প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ বাড়িয়েছে। সময় যত গড়াচ্ছে, ততই ‘হাতপাখা’ প্রতীকটি ভোটারদের আলোচনায় আরও বেশি জায়গা করে নিচ্ছে।
তবে বাস্তবতা হলো—ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের লড়াই সহজ নয়। ধান প্রতীকসহ একাধিক শক্তিশালী দলীয় ও জোটভুক্ত প্রার্থী এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের রয়েছে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক ও বিপুল সম্পদের সুবিধা। সে তুলনায় ইসলামী আন্দোলনের এই লড়াই অনেকটাই নির্ভর করছে জনসমর্থন, নৈতিক অবস্থান এবং শেষ মুহূর্তের ভোটের সমীকরণের ওপর।
সব দিক বিবেচনায় বলা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে নজরুল ইসলাম নজু ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অবস্থানকে আর উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। নীরবে তৈরি হওয়া হাতপাখার এই জোয়ার শেষ পর্যন্ত কতটা প্রভাব ফেলতে পারে—তা নির্ধারণ করবে ভোটের দিন। সে কারণেই এখন রাজনৈতিক বিশ্লেষক, সাধারণ ভোটার ও নেটিজেনদের দৃষ্টি নিবদ্ধ রয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ চূড়ান্ত ফলাফলের দিকে।
ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে হাতপাখার নীরব জোয়ার: ভোটের মাঠে ছক্কা হাঁকাতে পারেন নজরুল ইসলাম নজু 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে হাতপাখার নীরব জোয়ার, ভোটের মাঠে ছক্কা হাঁকাতে পারেন নজরুল ইসলাম নজু 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে হাতপাখার নীরব জোয়ার: ভোটের মাঠে ছক্কা হাঁকাতে পারেন নজরুল ইসলাম নজু 

আপডেট সময় ০৭:৪০:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
মিঠু সূত্রধর পলাশ: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ সংসদীয় আসনে এবারের নির্বাচনী রাজনীতিতে ধীরে ধীরে একটি নীরব কিন্তু লক্ষণীয় পরিবর্তন চোখে পড়ছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম নজু  ‘হাতপাখা’ প্রতীক নিয়ে এমন এক অবস্থানে পৌঁছেছেন, যা এখন আর কেবল প্রতীকী অংশগ্রহণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বরং ক্ষমতাসীন দল, ধান প্রতীক ও অন্যান্য জোটভুক্ত প্রার্থীদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তিনি মাঠে সক্রিয় ও দৃশ্যমান উপস্থিতি বজায় রেখেছেন।

নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক জোটের অংশ হিসেবে থাকায়
নজরুল ইসলাম নজু সেই পরিচয়ের মধ্য দিয়েই ভোটারদের কাছে পৌঁছান। সে সময় মাঠপর্যায়ে তার গণসংযোগ ছিল চোখে পড়ার মতো। ধর্মীয় ও সামাজিক পরিমণ্ডলে পরিচিত মুখ হওয়ায় সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবেই তাকে গ্রহণ করে। ব্যক্তিগত যোগাযোগ, সরাসরি মানুষের কথা শোনা এবং মাঠে নিয়মিত উপস্থিতি তার প্রচারণাকে শুরু থেকেই আলাদা মাত্রা দেয়।
এই পর্যায়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন ছড়ায়—জোটের পক্ষ থেকে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে নির্বাচন করার চূড়ান্ত বৈধতা দেওয়া হতে পারে। তবে রাজনৈতিক সমীকরণ দ্রুত বদলে যায়। জোট থেকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত অনেক প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তার জন্ম দেয়। তবুও সেই ধোঁয়াশা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত নজরুল ইসলাম নজু ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে হাতপাখা প্রতীক নিয়ে সরাসরি নির্বাচনী লড়াইয়ে নামেন।
বিশ্লেষকদের মতে, জোট থেকে বেরিয়ে আসার পরও তার প্রচারণায় বড় কোনো ধাক্কা লাগেনি। বরং নিজস্ব দলীয় কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি ধর্মপ্রাণ ও নীতিনিষ্ঠ রাজনীতিতে বিশ্বাসী ভোটারদের একটি অংশ তার পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছে।
গ্রাম থেকে শহর—সব জায়গায় সীমিত সম্পদের মধ্যেও ধারাবাহিক প্রচারণা তার প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ বাড়িয়েছে। সময় যত গড়াচ্ছে, ততই ‘হাতপাখা’ প্রতীকটি ভোটারদের আলোচনায় আরও বেশি জায়গা করে নিচ্ছে।
তবে বাস্তবতা হলো—ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের লড়াই সহজ নয়। ধান প্রতীকসহ একাধিক শক্তিশালী দলীয় ও জোটভুক্ত প্রার্থী এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের রয়েছে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক ও বিপুল সম্পদের সুবিধা। সে তুলনায় ইসলামী আন্দোলনের এই লড়াই অনেকটাই নির্ভর করছে জনসমর্থন, নৈতিক অবস্থান এবং শেষ মুহূর্তের ভোটের সমীকরণের ওপর।
সব দিক বিবেচনায় বলা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে নজরুল ইসলাম নজু ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অবস্থানকে আর উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। নীরবে তৈরি হওয়া হাতপাখার এই জোয়ার শেষ পর্যন্ত কতটা প্রভাব ফেলতে পারে—তা নির্ধারণ করবে ভোটের দিন। সে কারণেই এখন রাজনৈতিক বিশ্লেষক, সাধারণ ভোটার ও নেটিজেনদের দৃষ্টি নিবদ্ধ রয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ চূড়ান্ত ফলাফলের দিকে।