ঢাকা , রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নবীনগরের নির্বাচন: দ্বিমুখী না বহুমুখী—জনমনে বাড়ছে কৌতূহল সাংবাদিক পর্যবেক্ষক কার্ড দায়িত্ব ও বিশ্বাসের প্রতীক অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান, ৫ লাখ টাকা জরিমানা নবীনগরে নির্বাচন ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নবীনগর আসনে চতুর্মুখী লড়াইয়ের আভাস নবীনগর উপজেলা যুবদলের সকল কমিটি ও সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত নবীনগরে ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষের টাকা ফেরত চেয়ে এসিল্যান্ডের কাছে আবেদন বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য: বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেনকে দল থেকে বহিষ্কার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে ধানের শীষের কাণ্ডারি এড. আব্দুল মান্নান: এলাকায় আনন্দের জোয়ার বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থী নাজমুল হোসেনের নির্বাচনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত
নোটিশ :
নিয়মিত সংবাদ পেতে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন । startvbd20@gmail.com
বিএনপি'র বিদ্রোহী প্রার্থী নাজমুল হোসেনের নির্বাচনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত

বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থী নাজমুল হোসেনের নির্বাচনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত

 

মিঠু সূত্রধর পলাশ:  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৫ নবীনগরের সংসদীয় আসনে বিএনপির একজন ‘বিদ্রোহীথ প্রার্থী সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জেলা বিএনপি নেতা বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেনের মনোনয়নপত্র ইতিমধ্যে বৈধ ঘোষিত হয়েছে। গতকাল সোমবার পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ব্যাপারে অনড় ছিলেন তিনি।

বিএনপির এ আসনই এখন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে ইতিমধ্যে অনানুষ্ঠানিক প্রচার ও গণসংযোগ চালাচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি তাঁর অনুসারীরাও প্রস্তুতিতে সক্রিয় রয়েছেন। এখন শুধু প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার অপেক্ষা করছেন তাঁরা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী হিসেবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন কাজী নাজমুল হোসেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিএনপির জেলা কমিটির অর্থনীতি বিষয় সম্পাদক। তিনি বিএনপি সাবেক চারবারের সংসদ সদস্য মরহুম  কাজী মো: আনোয়ার হোসেনের পুত্র।

এছাড়াও তিনি গত নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচন করেছেন। সাবেক সাংসদ মরহুম কাজি আনোয়ার হোসেনের মৃত্যুর পর থেকে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত এই নেতা,তিনি পেশায় ব্যবসায়ী।

স্থানীয় ও দলীয় সূত্র জানায়, মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার পর দলের বিভিন্ন পর্যায় থেকে এই প্রার্থী ও তাঁদের ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের বিষয়ে যোগাযোগ করা হয়। তবে তিনি নির্বাচন করার সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন।

প্রতীক বরাদ্দের পর পুরোদমে প্রচারণা শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিভক্তি দেখা দিয়েছে।

বিদ্রোহী প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার কারণে এরই মধ্যে বেশ কিছু জেলা, উপজেলা বিএনপির,যুবদল,ছাত্রদল সহ বেশ কিছু নেতাকর্মী বহিষ্কারের শংকায় রয়েছেন।

যদিও বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেনে বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

গত রবিবার ও গতকাল সোমবার আসনের বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের অন্তত ১০ নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিদ্রোহী প্রার্থী এ আসনে দলের মনোনীত প্রার্থী পরিবর্তনের জন্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করেছেন। তবে কেন্দ্রের সাড়া পাওয়া যায়নি। তাই স্বতন্ত্র হয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন নাজমুল হোসেন। তাঁদের দাবি, ভোটের ফলাফলের মাধ্যমেই তাঁরা নিজেদের অবস্থানের যৌক্তিকতা প্রমাণ করবেন।

জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেন বলেন, ‘নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার বিষয়ে আমার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। কেন্দ্র কমিটি গঠনসহ নির্বাচনী কাজ চলছে। প্রতীক বরাদ্দের পর আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করব। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের বিষয়ে দল থেকে অনুরোধ করা হয়েছে কি না—জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাকে অনুরোধ করার আগেই আমি কেন্দ্রীয় নেতাদের আমার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছি।

আচরণবিধির মধ্যে থেকে যতটুকু সম্ভব কাজ করছি। প্রতীক পাওয়ার পরদিনই পুরোদমে মাঠে নামব।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচন করার সিদ্ধান্তে আমি অনড় এবং তাঁর অনুসারীরা এলাকায় কাজ করছেন।

এ বিষয়ে নবীনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিম বলেন, কেন্দ্রীয় নেতারা বিষয়টা দেখছেন। তাঁরা যোগাযোগ করে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছেন। তবে এখন পর্যন্ত কী অগ্রগতি হয়েছে, তা আমার জানা নেই।থতবে আমরা সবাই দলের সিদ্ধান্ত মেনে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবো।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নবীনগরের নির্বাচন: দ্বিমুখী না বহুমুখী—জনমনে বাড়ছে কৌতূহল

বিএনপি'র বিদ্রোহী প্রার্থী নাজমুল হোসেনের নির্বাচনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত

বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থী নাজমুল হোসেনের নির্বাচনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত

আপডেট সময় ১২:৪৯:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

 

মিঠু সূত্রধর পলাশ:  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৫ নবীনগরের সংসদীয় আসনে বিএনপির একজন ‘বিদ্রোহীথ প্রার্থী সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জেলা বিএনপি নেতা বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেনের মনোনয়নপত্র ইতিমধ্যে বৈধ ঘোষিত হয়েছে। গতকাল সোমবার পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ব্যাপারে অনড় ছিলেন তিনি।

বিএনপির এ আসনই এখন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে ইতিমধ্যে অনানুষ্ঠানিক প্রচার ও গণসংযোগ চালাচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি তাঁর অনুসারীরাও প্রস্তুতিতে সক্রিয় রয়েছেন। এখন শুধু প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার অপেক্ষা করছেন তাঁরা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী হিসেবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন কাজী নাজমুল হোসেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিএনপির জেলা কমিটির অর্থনীতি বিষয় সম্পাদক। তিনি বিএনপি সাবেক চারবারের সংসদ সদস্য মরহুম  কাজী মো: আনোয়ার হোসেনের পুত্র।

এছাড়াও তিনি গত নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচন করেছেন। সাবেক সাংসদ মরহুম কাজি আনোয়ার হোসেনের মৃত্যুর পর থেকে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত এই নেতা,তিনি পেশায় ব্যবসায়ী।

স্থানীয় ও দলীয় সূত্র জানায়, মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার পর দলের বিভিন্ন পর্যায় থেকে এই প্রার্থী ও তাঁদের ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের বিষয়ে যোগাযোগ করা হয়। তবে তিনি নির্বাচন করার সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন।

প্রতীক বরাদ্দের পর পুরোদমে প্রচারণা শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিভক্তি দেখা দিয়েছে।

বিদ্রোহী প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার কারণে এরই মধ্যে বেশ কিছু জেলা, উপজেলা বিএনপির,যুবদল,ছাত্রদল সহ বেশ কিছু নেতাকর্মী বহিষ্কারের শংকায় রয়েছেন।

যদিও বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেনে বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

গত রবিবার ও গতকাল সোমবার আসনের বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের অন্তত ১০ নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিদ্রোহী প্রার্থী এ আসনে দলের মনোনীত প্রার্থী পরিবর্তনের জন্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করেছেন। তবে কেন্দ্রের সাড়া পাওয়া যায়নি। তাই স্বতন্ত্র হয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন নাজমুল হোসেন। তাঁদের দাবি, ভোটের ফলাফলের মাধ্যমেই তাঁরা নিজেদের অবস্থানের যৌক্তিকতা প্রমাণ করবেন।

জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেন বলেন, ‘নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার বিষয়ে আমার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। কেন্দ্র কমিটি গঠনসহ নির্বাচনী কাজ চলছে। প্রতীক বরাদ্দের পর আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করব। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের বিষয়ে দল থেকে অনুরোধ করা হয়েছে কি না—জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাকে অনুরোধ করার আগেই আমি কেন্দ্রীয় নেতাদের আমার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছি।

আচরণবিধির মধ্যে থেকে যতটুকু সম্ভব কাজ করছি। প্রতীক পাওয়ার পরদিনই পুরোদমে মাঠে নামব।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচন করার সিদ্ধান্তে আমি অনড় এবং তাঁর অনুসারীরা এলাকায় কাজ করছেন।

এ বিষয়ে নবীনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিম বলেন, কেন্দ্রীয় নেতারা বিষয়টা দেখছেন। তাঁরা যোগাযোগ করে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছেন। তবে এখন পর্যন্ত কী অগ্রগতি হয়েছে, তা আমার জানা নেই।থতবে আমরা সবাই দলের সিদ্ধান্ত মেনে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবো।