প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ১২:৫৫ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ এপ্রিল ২৬, ২০২৬, ৭:০৯ পি.এম
নবীনগরে জনবান্ধব তিন সিদ্ধান্তের প্রশংসায় ভাসছেন এমপি আব্দুল মান্নান

মিঠু সূত্রধর পলাশ: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের সংসদ সদস্য সদস্য অ্যাডভোকেট এম এ মান্নান একযোগে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ জনবান্ধব সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন।
মেঘনার বালু মহলের ইজারা বাতিল, সিএনজি ও অটোরিকশার টোল আদায় বন্ধ এবং নবীনগর বড় বাজারের খাজনা মওকুফ—এই তিন পদক্ষেপে স্বস্তি ফিরছে সাধারণ মানুষের জীবনে। ইতোমধ্যে এলাকাজুড়ে এসব সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বালু মহলের ইজারা বাতিলের ফলে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের অবসান ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পাশাপাশি অবৈধ উত্তোলন কমে পরিবেশ রক্ষায়ও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে নদী ভাঙ্গনের বিশাল ঝুঁকিতে রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নবীনগরের বিভিন্ন সড়কে চলাচলকারী সিএনজি ও অটোরিকশা থেকে দীর্ঘদিন ধরে টোল আদায় করা হচ্ছিল, যা ছিল চালকদের জন্য অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা। এই টোলের প্রভাব পড়ত সরাসরি যাত্রী ভাড়ার ওপর।
টোল বাতিলের ফলে চালকদের দৈনিক আয় বাড়বে এবং যাত্রীদেরও কম ভাড়ায় চলাচলের সুযোগ তৈরি হবে। এতে করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠীর যাতায়াত খরচ কমে আসবে এবং সামগ্রিকভাবে স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
নবীনগর বড় বাজারের খাজনা মওকুফ: ব্যবসায়ীদের জন্য বড় স্বস্তি
নবীনগর বড় বাজার এলাকার ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত খাজনা পরিশোধ করে আসছিলেন। অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এই বাড়তি চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন।
খাজনা মওকুফের ফলে ব্যবসায়ীদের আর্থিক চাপ কমবে, তারা নতুন করে ব্যবসা সম্প্রসারণে উৎসাহিত হবেন। এতে বাজারে পণ্যের সরবরাহ বাড়বে এবং ভোক্তারাও তুলনামূলক কম দামে পণ্য কিনতে পারবেন।
জনবান্ধব তিনটি সিদ্ধান্তের ফলে
এরই মধ্যে জনমনে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা, চালক ও ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা এই তিনটি সিদ্ধান্তকে সময়োপযোগী ও বাস্তবসম্মত হিসেবে দেখছেন। অনেকেই মনে করছেন, এর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরও সহজ হবে।
সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম এ মান্নান জানান, “জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই এই সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছে। নবীনগরের মানুষ যেন ন্যায্য সুবিধা পায়, সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও জনকল্যাণে এ ধরনের পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।”
বিশ্লেষকদের মতে, এই তিনটি সিদ্ধান্ত একসাথে বাস্তবায়িত হয়ায় নবীনগরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে, জীবনযাত্রার ব্যয় কমবে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকাংশে লাঘব হবে।
সরকারি পর্যায়ে সঠিক তদারকি নিশ্চিত করা গেলে এই উদ্যোগগুলো দীর্ঘমেয়াদে টেকসই সুফল বয়ে আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।
#####
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ©২০২৩-২০২৫ স্টার টিভি