মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১১:২০ পূর্বাহ্ন

নবীনগর নারুই গ্রামে ফিশারিজ পদ্ধতিতে মৎস্য উৎপাদনে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন,শিল্পপতি রিপন মুন্সি ।

প্রতিনিধির নাম / ৩৫৩ বার
আপডেট : শুক্রবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

আবহমান কাল থেকেই মাছে-ভাতে বাঙালীর আমিষের প্রধান ও নির্ভরযোগ্য উৎস মাছ। ফিশারিজ পদ্ধতিতে মৎস্য উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। তাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কাইতলা উত্তর ইউনিয়ন ব্রাহ্মণ হাতা নারুই গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ করে উৎপাদনের এখন রোল মডেল ও স্বাবলম্বী হচ্ছেন ঝাড় দিঘী । ফিশারিজ পদ্ধতিতে মৎস্য উৎপাদনে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিকভাবে ভাবে মাছ চাষ করে এই এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন , হেলদি এগ্রো এন্ড ফিশারিজের ম্যানেজিং ডাইরেক্ট বিশিষ্ট শিল্পপ্রতি,ব্রাহ্মণহাতা(নারুই) গ্রামের কৃতি সন্তান রিপন মুন্সি । শিল্পপতি রিপন মুন্সি তিনি বলেন, বর্তমানে সঠিক নিয়ম ও পদ্ধতিতে মাছ চাষ করলে পাল্টে যেতে পারে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা। আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা মাছ চাষের খামারকে আরও সম্প্রসারণ করা। শুধু সরকারি চাকরি আর বিদেশগামী না হয়ে দেশের প্রতিটি এলাকার যুবকদের প্রত্যেকের নিজ নিজ এলাকায় আত্মকর্মসংস্থান তৈরি করা উচিত । বর্তমানে যে হারে দেশে মাছ চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে, তা যদি চলমান রাখা যায় তবে অতি অল্প সময়ে জাতীয় অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রাখতে সক্ষম হবে এবং পাশাপাশি দেশে বড় আকারের উন্নয়নমূলক পরিবর্তন আসতে পারে। আর মাছ চাষের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। বর্তমানে আমাদের দেশে বাজারে যেসব মাছ পাওয়া যায়, তার অধিকাংশই চাষের মাছ। নিঃসন্দেহে বলা যায়, দেশে মাছ চাষের সম্প্রসারণ ঘটেছে। ব্রাহ্মণ হাতা নারুই গ্রামে হেলদি এগ্রো এন্ড ফিশারিজ , ( ঝাড় দিঘীতে ) মৎস্য প্রকল্পে বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ হচ্ছে , বিশাল বিশাল দিঘী ও পুকুরসহ ছোট্ট বড় ৩৬ টি পুকুরে মাছ চাষ করে আছেন , তারমাঝে ৬ টি কেনেল রয়েছে । এই কেনেলে বোরো ধানের মৌসুমী বছরে একবার বোরো ধান চাষ করে বাকি সময় মাছের চাষ হয় । এই হেলদি এগ্রো এন্ড ফিশারিজ মৎস্য প্রকল্পেতে উৎপাদিত হচ্ছে, কৈ মাছ ,মাগুর মাছ ,শিং,টেংরা, পাভয়া, মলায়া , সরপুঁটি , রুই, কাতলা ,চিতল, পাংগাস ,তেলাপিয়া,কার্ফু,সিলভার কার্প , গ্রাসকার্প , মিরকা মাছসহ বিভিন্ন জাতের মাছ । এই মৎস্য প্রকল্পগুলুতে দৈনিক খাবার দিয়ে আসছেন সকাল বিকাল বাসামান ফিট ও বাংলা মাছের ডুবা ফিট প্রাই ৪ টন ও লিপিয়ার জাতের গাস সহ অন্যান্য গাছ খাবার দিচ্ছেন প্রতিদিন প্রায় চার লক্ষ টাকার । এই হেলদি এগ্রো এন্ড ফিশারিজে, প্রাজেক্টে ফলের বাগান, ফিশারিজ মৎস্য খামার,গরুর ফ্রাম, মহিষের ফ্রাম ও অন্যান এই সকল প্রজেক্ট গুলো করার কারণে , উনার এখানে শত শত এলাকার বেকার যুবকদের আন্তকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে । এই প্রকল্পের মাছ অত্র এলাকার অর্থাৎ নবীনগর উপজেলা সহ- ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর এলাকায় কিছুটা হলেও মাছের চাহিদাও মিটছে । তাই হেলদি এগ্রো এন্ড ফিশারিজ ঝাড় দিঘী প্রকল্পটি এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে অত্র এলাকার সকলের নজর কেড়েছে , বিশিষ্ট শিল্পপতি মোঃ রিপন মুন্সি ,এবং তার ইচ্ছা আকাঙ্ক্ষা এই ঝাড় দিঘীর রুই,চিতল,কাতল, কার্ফু,গ্রাসকার্প সহ -কিছু কিছু মাছ । পাঁচ সাত বছর পর পর বড় করে দিঘীথেকে উঠাবে , এটাই তার মনের বড় আশা ও শখ । আমাদের স্টার টিভির প্রতিনিধি সাংবাদিক মোহাম্মদ হেদায়েতুল্লাহ ,সরেজমিনে গিয়ে এই প্রকল্পের শিল্পপতির ভাই নবীনগর উপজেলার যুবলীগের সহসভাপতি জায়েদুল ইসলাম লিটনের নিকট জানতে পাই – যে এই হেলদি এগ্রো এন্ড ফিশারিজ প্রকল্পে ২ শতাধিক শ্রমিক কাজ করে তাদের নিজের বেকারত্ব দূর করে নিজ নিজ সংসার চালীয়ে তারা হচ্ছেন স্বাবলম্বী । নিজস্ব প্রতিনিধি মোহাম্মদ হেদায়েতুল্লাহ পাঠানো তথ্যচিত্রে স্টার টিভি নবীনগর ।
Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ

Categories